শাখাওয়াতুল আম্বিয়া সুমন জৈন্তাপুর, সিলেট: বর্ষাকালে অতিবৃষ্টি ও ভারতের পাহাড়িঢলে ঘনঘন বন্যার কবলে পড়লেও রবিমৌসুমে সেই পানির অভাবে হাজার হাজার একর জমি অনাবাদি পড়ে থাকে সিলেটের জৈন্তাপুর সহ বিভিন্ন উপজেলায়। এই এলাকার কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে যে বিভিন্ন সময়ে তারা পানির সমস্যার কথা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা জৈন্তাপুর উপজেলা ভিজিটে আসলে তাদের কাছে তুলে ধরেন। কিন্তু কাজের কাজ তেমন কিছুই হচ্ছেনা।খোঁজ নিয়ে জানা যায় এই উপজেলায় দুই থেকে তিনটি গ্রামে পাঁচ কিউসেক পানির মেশিনের সাহায্যে আনুমানিক এক হাজার ভিঘা এক ফসলি জমিতে বোরোধান চাষাবাদ হয়।অথচ সারিনদী,বড়োগাং, কাফনানদীসহ অনেক সরকারি ও যৌথ মালিকানা বিল ও খাল রয়েছে যেগুলো থেকে পাঁচ কিউসেক থেকে ছোট ছোট এল এল পি মেশিন দিয়ে এক ফসলি ও অনাবাদি জমিকে একাধিক ফসলি জমিতে রুপান্তর করা যায়। বালু,পাথরের কুয়ারি বন্ধ থাকায় এই অঞ্চলের অনেক মানুষ এমনিতেই কর্মহীন হয়ে পড়েছে।এমতাবস্থায় অনেকেই কৃষিতে বিকল্প কর্মসংস্থানের চেষ্টা করছেন।তবে অত্র অঞ্চলে বর্ষাকালে বন্যায় ফসলহানীর আশংকা এবং শুষ্ক মৌসুমে পানির অভাবে কৃষি কাজে ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও হাজার হাজার একর জমি অনাবাদি পড়ে থাকে। তাই বড় বড় নদীর পানির সঠিক ব্যবহার করে একদিকে ভূগর্ভস্ত পানির অপচয় রোধ করা সম্ভব হবে অন্যদিকে যে সকল গ্রামের পাশদিয়ে নদীগুলো প্রবাহিত হয়েছে সে সকল গ্রামে বড় বড় পানির মেশিনের সাহায্যে সেচের ব্যবস্হা করা হলে অনেক জমি আবাদ হবে,উৎপাদন বাড়বে,কর্মসংস্থান হবে,সর্বোপরি দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।