
এ পর্বে তাবলীগের বিদেশী মেহমানদের সংখ্যাও বেড়েছে। নানা দেশে থেকে আসা মুসল্লিগণ ইজতেমায় আর ভেদাভেদ চান না।
এদিকে ইজতেমা শেষে ময়দানের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে যাতে বিরোধ না হয়, সেজন্য আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তাগণের রয়েছে আলাদা নজরদারি।
জিকির-আসকার ও তাবলীগের দেশী-বিদেশী মুরুব্বিদের বয়ানের মধ্য দিয়ে ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বের দ্বিতীয় দিন অতিবাহিত হচ্ছে। এ পর্বের আয়োজকরা বলছেন, তাদের শীর্ষ মুরুব্বী মাওলানা সাদ ইজতেমা ময়দানে না আসতে পারায় তাদের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে। আগামীতে তাকে মাঠে দেখতে চান তারা। তিনি আসলে তাবলীগের বিদেশী মেহমানদের সংখ্যা আরও বাড়বে। বৈদেশিক মুদ্রাও আয় হবে।
ইজতেমার আয়োজন ও প্রস্তুতি নিয়ে সন্তুষ্টি থাকলেও দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পড়া তাবলীগ ও ইজতেমার বিশেষ করে বিদেশী মেহমানদের অনেকই এমন অবস্থা চান না। তারা বলছেন, কোন পক্ষের হয়ে নয়, এখানে এসেছেন আল্লাহকে রাজি-খুশী করার জন্য। তাদের আশা, ভবিষ্যতে আবারো একসঙ্গে দু'গ্রুপের ইজতেমা হবে।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোল্যা নজরুল ইসলাম জানান, বিবদমান দুই গ্রুপের মধ্যে ইজতেমা শেষে ময়দানের নিয়ন্ত্রণ বা অন্য কোনো ইস্যু নিয়ে যাতে কেউ বিশৃঙ্খলা না করতে পারে সেজন্য তাদের বিশেষ তৎপরতা রয়েছে। এছাড়া আখেরি মোনাজাত শেষে যেন সবাই নির্বিঘ্নে ফিরে যেতে পারে সেজন্য ট্রাফিক ব্যবস্থা পরিকল্পিতভাবে সাজানো হয়েছে।