স্টাফ রিপোর্টার: আ’লীগ সরকার দলীয় কাউন্সিলার কর্তৃক এক বিএনপি নেতার দোকান কোঠা জোরপূর্বকের দখলের অভিযোগ পাওয়া গেছে। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে নগরীর মদীনা মার্কেট এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করলেও পুলিশ ঘটনাস্থলে আসেনি। দোকানটি পরিচালনা করতেন বিএনপি সমর্থিত পেশাজীবি সংগঠন জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরাম সিলেট সদরের সাবেক সেক্রেটারী মাষ্টার আব্দুল খালিকের ছেলে মোহাম্মদ সামছুজ্জামান মাহবুব। দোকান দখলের অভিযোগ উঠছে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ৯নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলার আ’লীগ নেতা মখলিছুর কামরানের বিরুদ্ধে। তবে কামরান এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বলেছেন এর সাথে তার কোন সম্পর্ক নেই। পূর্ব বিরোধের জের ধরে কেউ এই ধরনের কর্মকান্ড সংঘটিত করেছে।
সূত্রে জানা যায়, মদীনা মার্কেট পয়েন্টের দোকান পরিচালনা করতেন কারাবন্দি মহানগর শ্রমিক দল নেতা মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান মাহমুদের ছোট ভাই সামছুজ্জামান মাহবুব। স্থানীয় ৯নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলার ও মহানগর আওয়ামীলীগ নেতা মখলিছুর রহমান কামরানের পক্ষ থেকে মাহবুবের কাছে তিন লক্ষ টাকা চাদাঁ দাবী করে। কিন্তু মাহবুবের পরিবার এত টাকা দিতে অস্বীকার করে। এর ফলে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন কামরান। বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টার দিকে একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী দোকানে হামলা চালায়। এসময় সামছুজ্জামান মাহবুব গুরুতর আহত হন। সন্ত্রাসীরা কামরানের নাম বলে দোকান কোঠা দখলে নিয়ে নেয়। মালিক পক্ষকে বের করে দিয়ে দোকানে তালা মেরে দেয় তারা।
সামছুজ্জামান মাহবুব অভিযোগ করে বলেন, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হিসেবে স্থানীয় কাউন্সিলার মখলিছুর রহমান কামরান আমার পরিবারের পিছু নিয়েছেন। সরকার দলীয় নেতা হওয়ায় ক্ষমতার প্রভাব দেখিয়ে তিনি আমাদের জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলেছেন। সর্বশেষ আমার শেষ সম্বল দোকান কোঠাও দখলে নিলেন কামরান। পুলিশকে বার বার ফোন করলেও পুলিশ ঘটনাস্থলে আসেনি। তিনি কামরান গংদের হাত থেকে তার দোকান পুনরুদ্ধারের জন্য সরকারের নিকট সাহায্য কামনা করেন।
এব্যাপারে কাউন্সিলার মখলিছুর রহমান কামরান বলেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জের ধরেই আমাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে আমার নাম জড়ানো হচ্ছে। দোকান দখলের সাথে আমার কোন সম্পর্ক নাই। পূর্ব শত্রুতা বা দেনা-পাওনার জের ধরে হামলা এবং দোকান দখলের ঘটনা ঘটতে পারে। এর সাথে আমার কোন ধরনের সম্পর্ক নেই।