
শনিবার রাতে শ্রমিক নেতাদের মাধ্যমে তিনি আত্মসমর্পণ করেন। পরে এ ঘটনায় করা মামলায় তাকে আটক দেখানো হয়।
তার দাবি, তিনি বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালাচ্ছিলেন না। ইজিবাইক চালক হঠাৎ তার বাসের সামনে চলে আসায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
শুক্রবার বিকেলে যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার যাদবপুর গ্রামের হেলাল মুন্সির মেয়ে খাদিজার চিকিৎসার জন্য বাড়ি থেকে বের হন তার স্ত্রী, তিন সন্তান খাদিজা, হাসান, হোসেন, শাশুড়ি মাহিমা, খালা শাশুড়ি রাহিমা ও তার মেয়ে জেবা।
ইজিবাইকযোগে যশোর যাবার পথে যশোর-মাগুরা মহাসড়কের লেবুতলা এলাকায় পৌঁছালে বিপরীতমুখী রয়েল পরিবহনের একটি বাস বেপরোয়া গতিতে যাওয়ার সময় ইজিবাইকটিকে ধাক্কা দেয় এবং ঠেলে নিয়ে দুমড়ে-মুচড়ে ফেলে।
এসময় বাসটি রাস্তার পাশে দাড়িয়ে থাকা একটি মোটরসাইকেলকেও ধাক্কা দেয়। এতে ইজিবাইক চালক মুসা ও একই পরিবারের পাঁচজনসহ সাতজন মারা যান। এছাড়া আরও তিনজন আহত হন।
এ ঘটনায় নিহত হাসান-হোসেনের নানা ছোটন মুন্সি বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা বাস চালক ও হেলপারের বিরুদ্ধে যশোর কোতোয়ালী থানায় মামলা করলে পুলিশ চালককে আটকের জন্য অভিযান শুরু করে।
একই সাথে শ্রমিক নেতাদের এ বিষয়ে সহযোগিতার জন্য আহ্বান জানানো হয়। এরপর শ্রমিক নেতারা আজ সন্ধ্যায় বাস চালক মিজানুর রহমান মিজাকে থানায় নিয়ে আসেন।
চালক মিজানুর রহমান মিজার দাবি তিনি বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালাচ্ছিলেন না। ইজিবাইক চালক হঠাৎ তার বাসের সামনে চলে আসায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বেলাল হোছাইন জানিয়েছেন, চালক মিজানকে দুর্ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আটক দেখানো হয়েছে। রোববার তাকে আদালতে পাঠানো হবে।