গোয়াইনঘাটে ব্যবসায়ীর নৌকার পথ গতিরোধ করে ডাকাতি ও হামলা থানায় অভিযোগ দায়ের
গোয়াইনঘাটে ব্যবসায়ীর নৌকার পথ গতিরোধ করে ডাকাতি ও হামলা থানায় অভিযোগ দায়ের


গোয়াইনঘাটে ব্যবসায়ীর নৌকার পথ গতিরোধ করে ডাকাতি ও হামলা থানায় অভিযোগ দায়ের
জনতার ডাক : গোয়াইনঘাট থানার অন্তর্ভুক্ত ১২ নং গোয়ানঘাট সদর ইউনিয়ন পরিষদের লাঠি গ্রামের নিজ বাড়ির ঘাট হইতে ইঞ্জিল চালিত নৌকায় পিয়ান নদী দিয়ে গোয়াইনঘাট যাচ্ছিলেন মহিবুর রহমান। নৌকাটি সোহেল আহমদ এর বাড়ির সামনে পৌছা মাত্র একটি বারকি নৌকা দিয়ে সোহেল আহমদ ও অজ্ঞাতনামা ৪-৫ জন লোক নিয়ে সাইফুর রহমান ও মুহিবুর রহমানের উপর আক্রমণ করেন।
জোরপূর্বক সোহেল আহমদ নৌকাটি অলির খাল নামক স্থানে নিয়ে আসেন, তখন মুহিবুর রহমানের সাথে কথা কাটাকাটি হয়, তার সূত্রপাত ধরে সোহেল আহমদ ও তার সাথে থাকা লোকজন দাঁড়ালো দা, স্টিলের পাইপ, দেশীয় লাঠি সোটা দিয়ে মহিবুর রহমানের উপর আঘাত করে, নৌকার চালক মহিবুর রহমানের ভাই তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করে। তখন সোহেল আহমদ তার হাতে থাকা দাড়ালো দা দিয়ে মহিবুর রহমানের মাথায় কোপ মারে, মহিবুর রহমান হাত দিয়ে তা প্রতিরোধ করলে উনার হাতে মারাত্মক জখম হয়, তারা মহিবুর রহমানের ছোট ভাইকে ও লাঠি এবং স্টিলের পাইপ দিয়ে আঘাত করে,তাতে উনার শরীরে অনেক লিলাফুলা ছেচা জখম হয়, মহিবুর রহমানের লুঙ্গীর গুজায় কমরে থাকা ১,৯৫,০০০( এক লক্ষ পঁচানব্বই হাজার) টাকা জোরপূর্বক সোহেল আহমদ নিয়ে যায়। দুই ভাইয়ের প্রাণ বাঁচানোর চিৎকার আশপাশের লোকজন জড়ো হতে থাকলে সোহেল আহমদ মহিবুর রহমানের কে প্রাণে মারার হুমকি দিয়ে পালিয়ে যায়। মহিবুর রহমান গুরুতর অবস্থা চিকিৎসা নেওয়ার জন্য গোয়াইনঘাট মেডিকেল ভর্তি হন, বর্তমানে উনি সিলেটে রাকিব রাবেয়া মেডিকেল কলেজে ভর্তি আছেন, উনার হাতের একটা অপারেশন হয়েছে।
এবং উনি গোয়ানঘাট মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। উনার এলাকার মুরুব্বিয়ান ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও মেম্বার গন জানান, সোহেল আহমদ এর নামে চুরি ও ডাকাতি সহ বিভিন্ন মামলা গোয়াইনঘাট থানা সহ বিভিন্ন থানায় মামলা রয়েছে কয়েকবার জেল ও ছিলেন সে একজন খারাপ চরিত্রের লোক, উনি বিভিন্নভাবে মানুষকে হয়রানির স্বীকার করেন। জোরপূর্বক অনেক ব্যবসায়ের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করেন ও এলাকার নিরীহ মানুষদের অত্যাচার করেন।
এ ব্যাপারে গোয়াইনঘাট থানায় মোবাইল মাধ্যমে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে কল রিসিভ করেন নাই।



