

জনতার ডাক:অর্থমন্ত্রী যেন আগামীতে আরও বাজেট দেয়ার সক্ষমতা অর্জন করেন সেই দোয়া করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।বুধবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের উপর সমাপনী বক্তব্যে সংসদ নেতা এই দোয়া করেন।শেখ হাসিনা বলেন, ‘রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের একটি নিজস্ব নীতিমালা এবং কর্মপরিকল্পনা রয়েছে। আমরা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করি আর তারই পরিপ্রেক্ষিতে আমাদের বাজেট প্রণয়ন করে দেশের আর্থ সামাজিক উন্নয়ন বাস্তবায়নের লক্ষ্য নেই।’অর্থমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে শেখ হাসিনা বলেন, ‘মাননীয় অর্থমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানাই। তিনি অষ্টম বারের মতো এই জাতীয় সংসদে বাজেট পেশ করেছেন। সেজন্য আমি তাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়ে দোয়া করি, তিনি যেন আগামীতে আরও বাজেট দেয়ার সক্ষমতা পান।’প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাজেট আসলে দেশের আর্থ সামাজিক উন্নয়নের একটা দলিল। প্রত্যেক সরকারের একটা নিজস্ব চিন্তা থাকে, দেশটাকে কীভাবে উন্নত করা যায়, দেশের আর্থ সামাজিক উন্নয়ন করা যায়, মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করা যায়।২০১৬-১৭ অর্থবছরের জন্য দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বাজেট এই জাতীয় সংসদে উত্থাপন করছেন মাননীয় অর্থমন্ত্রী। তিন লাখ ৪০ হাজার ৬০৫ কোটি টাকার বাজেট। অতীতে এত টাকার বাজেট আর কখনও দেয়া হয়নি।এই সক্ষমতা আমরা অর্জন করেছি। আমাদের সঠিক নীতিমালা প্রণয়নের মাধ্যমে এবং যে বাজেট প্রতিবছর প্রণয়ন করছি তা সুষ্ঠুভাবে আমরা বাস্তবায়নও করছি। বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আমরা রেকর্ড তৈরি করেছি। ফলে অর্থনীতি আরও গতিশীল হয়েছে।আমাদের অর্থনীতির সবচেয়ে বড় কথা, আমরা নিজের পায়ে দাঁড়াতে শিখেছি। আগে যেখানে বাজেট প্রনয়ন করতে গেলে অন্যের কাছ থেকে অনুদান নিতে হত, পরনির্ভরশীল থাকতে হত। সেই পরনির্ভরশীলতা আমরা কমিয়ে এনেছি। এখন আর পরনির্ভরশীলতা আমাদের নেই। উন্নয়ন বাজেটে আমরা এখন ৯০ শতাংশই নিজস্ব অর্থায়নে করছি। এখন আর পরের মুখাপেক্ষী হয়ে নয়। আমরা আত্মমর্যাদাশীল জাতি হয়ে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করাবার সক্ষমতা অর্জন করেছি।’বাজেট সেশনের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্মরণ করেন। এছাড়াও স্মরণ করেন জাতীয় চার নেতা এবং মুক্তিযুদ্ধে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ও নির্যাতিতা মা-বোনদের।



