সিলেটে সন্ত্রাসীদের হামলায় স্বামী-স্ত্রী আহত


জনতার ডাক , ক্রাইম ডেস্ক :
সিলেট জেলার গোলাপগঞ্জ উপজেলায় গত ৩০/০৩/২০১৯ ইং রোজ শনিবার নিজ ভাই ও ভাইয়ের স্ত্রী ও বাতিজাদের হাতে গুরুত্বর আহত হন মজলুর রহমান (৭০) ও তার স্ত্রী জলি বেগম (৪৫)। সুত্রে জানা যায়, বিগত কয়েক বছর যাবত মজলুর রহমান, পিতা: আমির আলী, গ্রাম: ছত্রিশ কালিদাশপাড়া, থানা: গোলাপগঞ্জ, সিলেট। তিনি ৪ (চার) ভাইয়ের মধ্যে সবার বড়। দীর্ঘদিন যাবত তারা ৩ (ভাই) মজলুর রহমান (৭০), সেলু মিয়া (৪০), শামীম আহমদ (৩৭) তাদের বাবার রেখে যাওয়া সম্পত্তি বাট-বাটুরা করার জন্য বসলে তাদের ভাই ফখরুল ইসলাম (৫৫) তিনি কখনও বাট বাটুরা করতে রাজি নন। মজলুর রহমান বলেন, আমার ভাই ফখরুল ইসলাম (৫৫) দাবী করেন বাবার সম্পূর্ন সম্পতি তার নিজের, সে বাট বাটুরা করতে দিবে না আর এব্যাপারে পারিবারিক বা সামাজিকভাবে বসলে আমার ভাই সব সময় বলে যে আমি নেতা আমার দল ক্ষমতায় তুমরা কেউ বাবার সম্পত্তি থেকে বাট বাটুরা পাবেনা। এ বিষয়ে আমরা কিছু বললে সে আমরা ৩ (তিন) ভাইকে হুমকি দেয় এমনকি অতীতে আরও কয়েকবার হামলাও করে আমার ভাই ফখরুল ইসলাম। আমি থানায় গিয়ে অভিযোগ করে আসলে পরে থানা এবং স্থানীয় কিছু নেতারা বসে বলেন আমি অভিযোগ তুলতে পরে এগুলো সমাধান করা হবে। কিন্তু আমি অভিযোগ তুলার পরপরই আবার আমার ভাই ফখরুল ইসলাম আমার ঘরে প্রতিদিন রাতে ঢিল মারে, হুমকি দেয় কিন্তু কোন সটিক বিচার পাইনা, কারন আমার ভাইয়ের সাথে কিছু প্রভাবশালী নেতারা ইন্দন দেন এবং সহযোগি হিসেবে থাকেন।
তিনি আরও বলেন গত ৩০/০৩/২০১৯ ইং সন্ধ্যা ০৭:০০ ঘটিকার সময় ফখরুল ইসলাম (৫৫), তার ২ (দুই) ছেলে তায়েব আহমদ(২০), তারেক আহমদ (২২) ও তার স্ত্রী সাজেদা বেগম (৪০) আমার বসত বাড়িতে ঢিল মারতে থাকে। তখন আমি আমার বসত ঘর হইতে বাহির হইয়া গালি গালাজ করিলে তারা একত্রে এসে এলোপাতারিভাবে কিল, ঘুষি, লাথি মারিয়া আমার শরীলের ভিবিন্ন অংশে নিলা-ফুলা জখম করে। এমনকি আমার লেদার খুলে নগদ ২০,০০০/= টাকা জুর-পূর্বক নিয়ে যায়, তখন আমার চিৎকার শুনে আমার স্ত্রী জলি বেগম (৪৫) আমাকে বাচাতে আসিলে তারা আমার স্ত্রী উপর হামলা চালায় এতে আমার স্ত্রী গুরুত্বর আহত হলে আমি ও আমার স্ত্রীকে সাথে সাথে আশে-পাশের লোকজন চিকিৎসার জন্য স্থানীয় গোলাপগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে আমি অনেকটা সুস্ত থাকলেও আমার স্ত্রী’র অবস্তা ভাল না থাকায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। এব্যাপারে গোলাপগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এ কে এম ফজলুর হক (শিবলী) বলেন, এব্যাপারে আমার কাছে একটি অভিযোগ এসেছে তবে এটা তাদের পারিবারিক সমস্যা তাই আমরা চেষ্টা করতেছি সমাধান করার জন্য। যদি কোন প্রকার সমাধান না হয় তাহলে আমরা আইনানুগ ব্যাবস্থা নেব।



