রাজনীতিসিলেট জেলা

সিলেট-৪ আসনে ব্যাপক প্রার্থীতা ঘোষণায় জনসাধারণে ক্ষোভ

সিলেট-৪ আসনে ব্যাপক প্রার্থীতা ঘোষণায় জনসাধারণে ক্ষোভ

সিলেট-৪ আসনে ব্যাপক প্রার্থীতা ঘোষণায় জনসাধারণে ক্ষোভ

জনতার ডাক ডেক্স : প্রাকৃতিক খনিজ সম্পদের সিলেট-৪ আসনে এ পর্যন্ত কমপক্ষে ১০জন প্রার্থীতা ঘোষণা করেছেন। তাদের কেউই এলাকার পর্যটন ও প্রাকৃতিক সম্পদ সুরক্ষায় ছিলেন না । উন্নয়নে কিছু কাজ করেছেন মাত্র ২জন। একজন হলেন জৈন্তিয়াপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব জয়নাল আবেদীন এবং অপরজন গোয়াইনঘাট উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল হাকিম চৌধুরী। এই হল অবস্থা। এদিকে, বেশীর ভাগ প্রার্থী নন৪। অত্র-৪ এলাকার বাসিন্দা নন। এমতাবস্থায়, সিলেট-৪ (গোয়াইনঘাট-জৈন্তিয়া-
কোম্পানীগন্জ) আসনে অবদানহীন এত প্রার্থীতা ঘোষণায় জনসাধারণে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তাহলে কি এমপি হয়ে পর্যটন ও খনিজ সম্পদকে লোটেপোটে খাওয়ার জন্যে এত প্রার্থীদের আগ্রহ এখানে? এমন প্রশ্নও তুলছেন কেউ কেউ।

ইতিহাস ও ঐতিহ্য তথ্যে জানা যায়, অত্র বিশাল এলাকাটি প্রাচীন একটি জনপদ। বহিরাগতদের দ্বারা শাসিত হওয়ার ব্যাপারে জনসাধারণের ছিল সব সময় বিরোদ্ধ অবস্থান। বৃটিশরা ভারত উপমহাদেশ দখল করে নিলেও অত্র জৈন্তিয়া রাজ্যেকে জনসাধারণ দখলে নিতে দেয়নি। এজন্যে ৮০ বছর অনেক মানুষ যুদ্ধ করে জীবন দিয়েছে, তবুও মাথা নত করেনি। সেই থেকে বহিরাগতদের “না” এ রকম কথা প্রবাদ বাক্যের মত চাউর হয়ে আছে আদিকাল থেকে।

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ পর্যন্ত প্রার্থীতা ঘোষণা করেছেন, বিএনপি থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী আব্দুল হাকিম চৌধুরী ( পূর্ব পুরুষ-বিয়ানীবাজার উপজেলার চারখাই), মরহুম দিলদার হোসেন সেলিম এমপি’র স্ত্রী এডভোকেট জেবুন্নাহার সেলিম (দিলদার হোসেন সেলিমের পূর্ব পুরুষ-বিশ্বনাথ), হেলাল উদ্দিন আহমদ (পূর্ব পুরুষ- দক্ষিণ সুরমা), বদরুজ্জামান সেলিম সিলেট নগরীর শাহী ইদগাহের বাসিন্দা, এডভোকেট শামসুজ্জামান সিলেট নগরীর মীরাবাজারের বাসিন্দা, খেলাফত মজলিস থেকে প্রার্থীও সিলেট সদরের মংলীপাড়ের বাসিন্দা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এত সব সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে জমিয়ত থেকে এডভোকেট মোহাম্মদ আলী ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে আলহাজ্ব জয়নাল আবেদীন কেবল মাত্র অত্র এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা এবং তাদের পুর্ব পুরুষ এখানে হাজার বছর ধরে বসবাস করে আসছেন।

সিলেট-৪ আসনে ব্যাপকহারে প্রার্থী ঘোষণা, অত্র আসন এলাকায় যাদের তেমন কোন কর্ম ও অবদান নেই। এতে জনসাধারণে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

“স্থানীয়দের ছাড়া আর নয়” বহিরাগতদের “না” বলুন, এমন একটা সুর ও প্রচারনা স্থানীয় জনসাধারণে চলমান রয়েছে এবং জোরালো হয়ে উঠছে।

Related Articles

Leave a Reply

Back to top button