ফেঞ্চুগঞ্জে সালিশে চাচার বিরোধীতা করায় ভাতিজার উপর হামলা, ঢাকায় প্রেরণ



তানিন আল সুফিয়ান: ফেঞ্চুগঞ্জ প্রতিনিধি :: সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে রাস্তা নিয়ে বিরোধের ঘটনায় সালিশে চাচার বিরোধীতা করায় হামলায় গুরুতর আহত হয়েছে আয়াজ আহমদ (৩২)। সে ফেঞ্চুগঞ্জ কটালপুরের তেরাকুড়ি গ্রামের শফিক মিয়ার ছেলে। গত রোববার রাতে চাচার পক্ষের লোকজন হামলা চালিয়ে গুরুতর আহত হয় আয়াজ আহমদ। এরপর থেকে সোমবার রাত সাড়ে দশটা পর্যন্ত জ্ঞান ফিরেনি তাঁর। তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বড় ভাই নিজাম উদ্দিন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তেরাকুড়ি গ্রামের একটি রাস্তা নিয়ে প্রতিবেশীর সাথে বিরোধ ছিলো মোশাহিদ আলীর। এ ঘটনায় গ্রামের মুরব্বিদের নিয়ে সালিশ বৈঠকও হয়। বৈঠকে মুরব্বিদের রায়ে সায় দেন মোশাহিদ আলীর ভাতিজা আয়াজ। এ ঘটনার পর থেকে ভাতিজাকে দেখা নেওয়ার হুমকি দেন মোশাহিদ। রোববার রাতে আয়াজ আহমদ কটালপুর বাজার থেকে বাড়ি যাওয়ার উদ্দেশ্যে উস্তার আলী বান্দ এলাকায় যাওয়া মাত্র মোশাহিদ আলীসহ ৭-৮জন মিলে হামলা চালিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে। সেখানে কর্মরত চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। পরে সোমবার রাতে আয়াদকে নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিয়েছেন বড় ভাই নিজাম উদ্দিন ও আব্দুর রহমান। এ ব্যাপারে সালিশে উপস্থিত মৌলা মিয়া জানান, চাচার লোকজন হামলা চালিয়ে আয়াদকে গুরুতর আহত করেছে বলে শুনেছি।
আয়াজ আহমদের পিতা শফিক মিয়া জানান, আমার ছোট ভাই মোশাহিদ, তার ছেলে রাজন,শালা ফজর আলী, রিপন, কাওসার, আব্দুলসহ বেশ কয়েকজন মিলে আমার ছেলেকে প্রাণে মারার উদ্দেশ্যে হামলা চালিয়েছে । এখন আমার ছেলে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। এ ঘটনায় মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানান তিনি।
এ ব্যাপারে ফেঞ্চুগঞ্জের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সালেক জানান, এখনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পাওয়ার পর আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে ।



