সিলেট বিভাগ

সিলেটে চেক জালিয়াতি মামলায় ব্যবসায়ী এহিয়া আটক

সিলেট, বৃহস্পতিবার, ১২ মে ২০১৬ :: ৬৮ লাখ টাকার চেক জালিয়াতির মামলায় সিলেটের ব্যবসায়ী আতিকুর রহমান এহিয়াকে আটক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ভোর ৬টায় ঢাকা পল্লবী থানা পুলিশকে সাথে নিয়ে মিরপুর ব্লক সি, লেন ৪, ২০নং বাসা থেকে এয়াপোট থানার এএসআই শামীমের নেতৃত্বে তাকে আটক করা হয়। পরে শামীমকে সিলেট এয়ারপোর্ট থানায় নিয়ে আসে পুলিশ।

আটককৃত এহিয়া সিলেট নগরীর আম্ববখানা ইলেট্রিক সাপ্লাই রায়হোসেন এলাকার দিগন্ত ৮নং বাসার মৃত আব্দুল মালিকের ছেলে।

তার বিরুদ্ধে সিলেট আদালতে জুনেদ আহমদ নামে এক ব্যক্তি ৬৮ লাখ  টাকার একটি চেক জালিয়াতির  মামলা (নং ১২৩৩/১৫) দায়ের করেন।

জানা যায়, পাথর ব্যবসায়ী আতিকুর রহমান এহিয়া পাথর ক্রয় করার জন্য জুনেদ আহমদের কাছ থেকে ৬৮ লাখ টাকা নেন। কিন্তু পাথর না দিতে পারায় পরে ৬৮ লাখ টাকার একটি চেক প্রদান করেন জুনেদকে। চেকটি ব্যাংক থেকে প্রত্যাখ্যাত হয়ে ফেরত আসে। পরবর্তীতে জুনেদ আহমদ টাকা না পেয়ে লিগ্যাল নোটিশের মাধ্যমে টাকা পরিশোধের অনুরোধ জানানা। নোটিশ গ্রহণ করলেও টাকা পরিশোধ করেননি এহিয়া।

এতে আদালত এহিয়া বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। এর প্রেক্ষিতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এয়ারপোট থানার এএসআই শামীম আহমদ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে ঢাকা পল্লবী থানাধীন মিরপুর ব্লক সি, লেন ৪,  ২০ নং  বাসা থেকে আটক  করেন। বর্তমানে এহিয়াকে সিলেট এয়ারপোর্ট থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে।

এদিকে, এহিয়াকে আটকের সংবাদ পেয়ে ৬/৭ জন পাওনাদার থানায় হাজির হন। এসময় তারা পাওনা টাকা উদ্ধারের জন্য মৌখিকভাবে অভিযোগ করেন থানা পুলিশের কাছে।

মৌখিক অভিযোগকারীদের মধ্যে রয়েছেন- আম্বরখানার মো. হোসেন বাবর ৪৫ লাখ টাকা, হামিদ ৪০ লাখ টাকা, জালালাবাদ এলাকার হেলাল ১০ লাখ টাকা, শাহী ঈদগাহের দুলাল আহমদ ১০ লাখ টাকা, শিবগঞ্জ এলাকার মাসুদ আহমদ ৬১ লাখ টাকা ও দক্ষিণ সুরমার জসিম উদ্দিন ৬০ লাখ টাকা। এছাড়াও আরও অনেক পাওনা দার রয়েছেন।

এব্যাপারে এএসআই শামীম আহমদ জানান- এহিয়ার বিরুদ্ধে চেক জালিয়াতি একাধিক মামলা রয়েছে। -ufgg

Related Articles

Leave a Reply

Back to top button