অপরাধআইনসিলেট জেলা

আহারকান্দি এলাকার ক্যাসিনো সম্রাট অরুন চন্দ্র দাস, শতশত তরুন এখন বিপথে

আহারকান্দি এলাকার ক্যাসিনো সম্রাট অরুন চন্দ্র দাস, শতশত তরুন এখন বিপথে

আহারকান্দি এলাকার ক্যাসিনো সম্রাট অরুন চন্দ্র দাস, শতশত তরুন এখন বিপথে

মোঃ জসিম উদ্দিন : সিলেট  জেলার গোয়াইনঘাট উপজেলা  ২ নং পশ্চিম জাফলং ইউনিয়নের আহারকান্দি এলাকার ক্যাসিনো সম্রাট অরুন চন্দ্র দাস, শতশত তরুন এখন বিপথে, স্বাভাবিক জীবন হারিয়ে তরুনরা এখন সমাজের বুঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে, এমন অপরাধ সমাজের জন্য শুধু অবক্ষয় নয় বরং ন্যাকারজনক ও বটে,   এলাকায় অনলাইন জুয়ার শীর্ষ ক্যাসিনো সম্রাট অরুন চন্দ্র দাস সহ আরও অনেক ,  তাদের আঙুল ফুলে কলাগাছ হওয়ার নেপথ্য কারণ অবৈধ  ক্যাসিনো

 গোয়াইনঘাট উপজেলায় দিন দিন বেড়ে চলছে অবৈধ ক্যাসিনো জুয়ার আসর। বিশেষ করে  আহারকান্দি বাজার ,উত্তর  লাবু সিএনজি স্ট্যান্ড, তারুখাল, মাতুরতল  বাজার  সহ বিভিন্ন এলাকায় দিনে ও রাতের অন্ধকারে গোপনে চলছে এই অবৈধ জুয়ার ব্যবসা। এতে জড়িয়ে পড়ছে উঠতি বয়সী তরুণরা, যা স্থানীয় সমাজব্যবস্থার জন্য গুরুতর হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় এসব জুয়ার আসর পরিচালিত হচ্ছে। অনেকে আবার দাবি করছেন, কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি ও রাজনৈতিক নেতার পৃষ্ঠপোষকতায় এসব ক্যাসিনো ব্যবসা দীর্ঘদিন ধরে অব্যাহত রয়েছে। এর ফলে এলাকায় অপরাধ প্রবণতা বাড়ছে, চুরি-ডাকাতির মতো অপরাধ বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং অনেক তরুণ পড়াশোনা ছেড়ে জুয়ার ফাঁদে পা দিচ্ছে। আর এ অনলাইন জুয়ার টাকায় সন্ধ্যা হলেই এসকল তরুনদের বেশিরভাগ মাদক সেবনের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়েন মাদক বিক্রেতাদের ডেরায়। কেউ বা মাদক ব্যবসায়ীদের অগ্রিম টাকাও প্রদান করেন।

গ্রামের সাধারণ মানুষ বলছেন, এ অনলাইন জুয়ার ফাঁদে পড়ে অনেকে অটো বিক্রয় করে টাকা ইনভেস্ট করছেন ক্যাসিনো জুয়াতে। নাম না প্রকাশ করার শর্তে উপজেলার ২নং পশ্চিম জাফলং ইউনিয়নের আহারকান্দি  এলাকার এক কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী জানান, ভাই এ জুয়ার নেশায় পড়ে আমি সব হারিয়ে আজ নিঃস্ব। সুন্দর জীবনের বদলে প্রতিনিয়ত একটি হতাশা নিয়ে আমি বেঁচে আছি। তার দেয়া তথ্যমতে আহারকান্দি  বাজারে এ জুয়ার বড় একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। এ সিন্ডিকেটের রয়েছে নিজস্ব আ্যপস। জানা গেছে গত কয়েক বছরে পণ্যগ্রামের  এলাকায় যে ছেলে পায়ে সেন্ডেল পড়ার সামর্থ ছিলো না সে আজ কয়েক শত কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন। অবিলম্বে প্রশাসনের পক্ষ থেকে অভিযান চালিয়ে এসব অবৈধ জুয়ার আসর বন্ধ না করলে আগামী প্রজন্ম ধ্বংসের মুখে পড়বে। পাশাপাশি এসব ব্যবসার সাথে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি তুলেছেন তারা।

একজন স্থানীয় ব্যবসায়ী বলেন, “আমরা চাই প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা নিক। আমাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ বাঁচাতে হবে।”

এছাড়াও ক্যাসিনোর বড় এজেন্ট বিদ্যমান আহারকান্দি বাজার ,উত্তর  লাবু সিএনজি স্ট্যান্ড, তারুখাল, মাতুরতল  বাজার  সহ বিভিন্ন এলাকায় বেশ কিছু রয়েছে এ ক্যাসিনোর বড় এজেন্ট।  তবে থেমে নেই এ অনলাইন ক্যাসিনো।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ক্যাসিনো খেলে নিঃস্ব হওয়া কয়েকজন মুক্তিকে জানায়, আহারকান্দি বাজার  হতে শুরু করে বেশকিছু জায়গায় এ সকল ক্যাসিনো খেলা চলছে। কেউ তো তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয় না। কারন এদের কমিশনে অনেকেই চলেন। তাই এরা ধরাছোয়ার বাহিরে। এসকল ক্যাসিনো সম্রাটগন এ জুয়ার টাকায় যেমন দামি বাইক, রাজকীয় চলাফেরা করছেন তেমনি এরা গড়ে তুলেছেন আলিশান বাড়ি।

স্থানীয়দের দাবি এ সকল ক্যাসিনো এজেন্টদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে তাদের ব্যাংক একাউন্ট জব্দ করে সকল অবৈধ টাকার উৎস অনুসন্ধান।

 

 বিদ্র: আমাদের পরবর্তী পর্বে থাকছে ক্যাসিনো এজেন্টদের বিস্তারিত পরিচিতি। সে পযন্ত পাশে থাকুন।

প্রধান সম্পাদক

জনতার ডাক ২৪ ডট কম এর প্রধান সম্পাদক।

Related Articles

Leave a Reply

Back to top button