
ভোলা প্রতিনিধি::
ভোলার দৌলতখানে নির্বাচন থেকে জোর করে প্রার্থিতা প্রত্যাহারে বাধ্য করায় ইউপি সদস্য প্রার্থী কীটনাশক পানে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন। সোমবার (৮ নভেম্বর) তিনি নিজ বাড়িতে বসেই আত্মহত্যার চেষ্টা চালান। বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেছে। তিনি বর্তমানে শঙ্কামুক্ত থাকলেও তার পরিবার আতংকে রয়েছেন।
এ ঘটনা পুরো এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। আত্মহত্যার চেষ্টাকারী ইউপি প্রার্থী মিলন চৌধুরী দৌলতখান উপজেলার উত্তর জয়নগর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড থেকে ফুটবল প্রতীকের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন।
ইউপি সদস্য প্রার্থী মিলনের ভাই আরিফুর রহমান বলেন, সোমবার (৮ নভেম্বর) বিকেলে ৬নং ওয়ার্ড থেকে বশির আমিন, সত্তার ও চৌধুরী মেম্বার এসে মিলনকে নির্বাচন থেকে সরে যেতে বলেন। তারা বলে, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ থেকে বলা হয়েছে, মিলন চৌধুরী নির্বাচনের প্রার্থিতা প্রত্যাহার না করলে যদি কোনো সহিংসতা ঘটে তাহলে সে দায় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নিবে না। এতে রাগে ক্ষোভে অভিমানে নিজের ঘরে ঢুকে জানালা বন্ধ করে কীটনাশক পান করেন।
ইউপি সদস্য প্রার্থী মিলনের ছেলে এমরান হাসান অপি বলেন, আমার বাবার ৮০ ভাগ জনসমর্থন রয়েছে। তিনি এর আগেও ওই ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ছিলেন।
প্রতিপক্ষ প্রার্থী গিয়াস উদ্দিন কৌশলে আওয়ামী লীগের নাম ভাঙিয়ে এ ঘটনা ঘটিয়েছেন।
সদস্য প্রার্থী মিলন বলেন, ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দরা এসে আমাকে বলেন, এমপি নাকি বলেছেন আমাকে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াতে। আমি এতদিন ধরে এলাকায় গণসংযোগ করে এলাকায় আমার ব্যাপক সমর্থন তৈরি করেছি। আমি যদি নির্বাচন থেকে সরে যাই তাহলে জনগণকে জবাব দেয়ার কিছু থাকবে না আমার। তাই ক্ষোভে অভিমানে আত্মহত্যা করতে চেয়েছি।
ভোলার এডিশনাল পুলিশ সুপার আবুল কালাম আজাদ বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে, মেম্বার প্রার্থীকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। পরবর্তিতে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।



