
জনতার ডাক ডেস্ক
বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার ডাবইর এলাকায় চার যুবককে গলাকেটে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহত চারজনেরই পরিচয় উদ্ধার করেছে পুলিশ।
এ ঘটনায় মঙ্গলবার শিবগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের হয়েছে এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য স্বামী-স্ত্রী মেয়েসহ ছয়জনকে আটক করেছে পুলিশ।
আটকৃতরা হলেন- উপজেলার কাঠগাড়া গ্রামের আবু বক্করের ছেলে বেলাল হোসেন, তার স্ত্রী নাজনীন বেগম, মেয়ে নাতিশা খাতুন, আফছার আলীর ছেলে আবদুল হালিম প্রামানিক, চন্দনপুর গ্রামের জসিমুদ্দিনের ছেলে রফিকুল ইসলাম ও আটমূল ইউনিয়নের কুলুপাড়া গ্রামের ছেলে মোবাইল ব্যবসায়ী প্রফুল্ল সরকার লিটন সরকার।
এর আগে সোমবার ধান ক্ষেত থেকে চারটি লাশ উদ্ধারে ঘটনায় বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল জলিলকে প্রধান করে গোয়েন্দা (ডিবি) ও থানা পুলিশের সমন্বয়ে ছয় সদস্যের একটি বিশেষ তদন্ত টিম গঠন করা হয়েছে। এরইমধ্যে তদন্ত টিম কাজ শুরু করেছে।
নিহতদের মধ্যে খবির হোসেনের মা খোদেজা বেগম জানান, খবির গত রোববার বিকেলে পুনট বাজারে যাবার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরেনি। সে বিবাহিত। তার দুই ছেলে সন্তান রয়েছে।
আটমূল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোজাফফর হোসেন বলেন, মাদক সংক্রান্ত বেচাকেনার জের ধরে এ হত্যাকাণ্ড হতে পারে। তবে নিহতরা সবাই নিম্ন আয়ের মানুষ।
শিবগঞ্জ থানার পরিদর্শক (অপারেশন) জাহিদ হোসেন মণ্ডল জানান, এখন পর্যন্ত এ হত্যাকাণ্ডের কোনো ক্লু পাওয়া যায়নি। তবে পুলিশ তিনটি বিষয় সামনে নিয়ে তদন্ত করছে। বিশেষ করে মাদক, পরকীয়া এবং চুরির ভাগবাটোয়ারা নিয়ে বিরোধে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হতে পারে।
উল্লেখ্য, রোববার রাতের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা একই কায়দায় ৪ যুবককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে জবাই করে। হত্যার পর তারা ডাবইর ধান ক্ষেতের মধ্যে মরদেহ ফেলে রেখে যায়। নিহতদের হাত পিছন দিক দিয়ে মোড়া করে বাধা ছিলো। পরে সোমবার দুপুরে সেই লাশ মর্গে পাঠায় পুলিশ।



