সারাদেশস্বাস্থ্য

কে নেবে দুর্ঘটনায় পা হারানো ঝিকরগাছার শফিকুলের দায়িত্ব

 

জিল্লুর রহমান, যশোর থেকেঃ

সড়ক দুর্ঘটনায় পা হারিয়ে যশোর পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ঝিকরগাছার জগদানন্দকাটি গ্রামের শফিকুল।পরিবারে তিনি ছিলেন একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। যার আয়ের ওপর নির্ভর করত পরিবারের ভরণ-পোষণ। কিন্তু নিয়তির কী নির্মম পরিহাস! তিনি নিজেই এখন পরিবারের কাছে বড় বোঝায় পরিণত হয়েছেন। মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা এলোমেলো করে দিয়েছে তার জীবন। দুর্ঘটনায় নিজের একটি পা হারিয়েছেন। রাজমিস্ত্রী কাজ করে পরিবারকে নিয়ে বেঁচে থাকার যে স্বপ্ন তিনি দেখেছিলেন, মাঝপথে এসে তা হারিয়ে গেল। হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে ভবিষ্যতের অজানা আতঙ্ক তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে। সামনে শুধুই অন্ধকার।

শফিকুল যশোর ঝিকরগাছা শংকরপুর ইউনিয়নের জগদানন্দকাটি গ্রামের আনিছুরের ছেলে।

শফিকুলের বাবা জানান, দুই ছেলেসহ পরিবারে ৬ সদস্য নিয়ে শফিকুলের পরিবার।এর মধ্যে ছোট ছেলে জম্ম থেকে প্রতিবন্ধি।যে ছেলের চিকিৎসার জন্য প্রতিমাসে শফিকুলের ৪ হাজার করে খরচ হতো। এক দিকে ছোট ছেলের চিকিৎসার খরচ।অন্য দিকে সংসারের খরচ।এতে দেনায় জর্জরিত হয়ে গিয়েও মোটামুটি চলছিলো শফিকুলের সংসার।

৮ই জুন শফিকুল ছাগল বিক্রির জন্য বাড়ি থেকে ভ্যানযোগে নাভারন পশুর হাটে নিয়ে যাওয়ার জন্যে বের হয়। পতিমধ্যে কুমরি নামক স্থানে পৌছালে অপরদিক থেকে আসা নসিমনের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে শফিকুলের পায়ে প্রচন্ড আঘাত লাগে এবং সে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। স্থানীরা উদ্ধার করে শফিকুলকে যশোর সদরে নিয়ে যায়। সেখানে শফিকুলের বাম পার অবস্থার খারাপ হওয়ার কারনে পা কেটে ফেলা হয়।আর এক মাস পরে বোঝা যাবে ডান পা অবস্থা কোন পরিস্থিতিতে যাবে এমনটাই বলেন সেখানকার কর্মরত ডাক্তার।দুই দিন সদরে থাকার পরে শফিকুলকে যশোর পঙ্গু হসপিটালে ভর্তি করা হয়।বর্তমানে সম্পুর্ণ সুস্থ হতে ছয় লাখ টাকার প্রয়োজন বলে জানান পঙ্গু হাসপাতালের চিকিৎসক।

কিন্তু ৬ সদস্যের যে সংসারে একমাত্র শফিকুলের আয়ের উৎসের পরে নির্ভরশীল হয়ে চলতো যে সংসার।সেখানে চিকিৎসা খরচ চালাবে কি করে শফিকুলের পরিবার।এমন কথা ভেবে দিশেহারা শফিকুলসহ তারা পরিবার।

তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীসহ দেশ বিদেশের সব শ্রেনির মানুষের কাছে চিকিৎসার জন্য আর্থিক সাহায্যের হাত বাড়িয়েছেন শফিকুল ও তার পরিবার

সাহায্য পাঠানোর নাম্বার
বিকাশ: ০১৭৯৭-৩২৫১৫৫

Related Articles

Leave a Reply

Back to top button