শিক্ষাসারাদেশসাহিত্যসিলেট জেলাসিলেট বিভাগ

জৈন্তাপুরে কিশোরকণ্ঠ মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

 

জৈন্তাপুর (সিলেট) প্রতিনিধি: প্রতি বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও কিশোরকণ্ঠ পাঠক ফোরামের উদ্যোগে সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলায় কিশোরকণ্ঠ মেধাবৃত্তি পরীক্ষা-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) উপজেলার দুটি কেন্দ্রে উৎসবমুখর পরিবেশে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

সকাল ১০টায় শুরু হওয়া পরীক্ষা চলে বেলা ১১টা ২০ মিনিট পর্যন্ত। উপজেলার জৈন্তিয়া ডিগ্রি কলেজ ও জৈন্তিয়াপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় চতুর্থ থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়। ১০০ নম্বরের এ মেধাবৃত্তি পরীক্ষায় দুই কেন্দ্র মিলিয়ে মোট ৯৪৮ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে জৈন্তিয়া ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে ৫৪৫ জন এবং জৈন্তিয়াপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৪০৩ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়।পরীক্ষা সুষ্ঠু, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে জৈন্তিয়াপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে হল সুপারের দায়িত্ব পালন করেন নিজপাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সিনিয়র সহকারী শিক্ষক শরিফ আহমদ। জৈন্তিয়া ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে হল সুপারের দায়িত্ব পালন করেন মানিকপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সিনিয়র সহকারী শিক্ষক আলমগীর হোসেন।

পরীক্ষা চলাকালে কেন্দ্র দুটি পরিদর্শন করেন জৈন্তাপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ জয়নাল আবেদিন, কিশোরকন্ঠ পাঠক ফোরাম সিলেট জেলা পূর্বের সাবেক চেয়ারম্যান নাজমুল হাসান শিকদার, প্রধান পৃষ্টপোষক ফাতেহুল ইসলাম, জৈন্তাপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি গোলাম সরওয়ার বেলাল, জৈন্তিয়াপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক গোলাম মোস্তফা সরকার, জৈন্তাপুর প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি আব্দুল হালিম, অনলাইন প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি ইমাম উদ্দিন, ২নং জৈন্তাপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি নুরুল ইসলাম এবং কিশোরকণ্ঠের সাবেক উপজেলা সভাপতি আব্দুল খালিক, কিশোরকন্ঠ জৈন্তাপুর উপজেলার চেয়ারম্যান সিদ্দিকুর রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন, মো: ইকবাল প্রমুখ। মেধাবৃত্তি পরীক্ষাকে ঘিরে সকাল থেকেই কেন্দ্র দুটিতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ব্যাপক উপস্থিতি দেখা যায়। পরীক্ষার্থীদের পাশাপাশি অভিভাবকদের মধ্যেও ছিল উৎসাহ-উদ্দীপনা।অভিভাবকরা জানান, এ ধরনের মেধাবৃত্তি পরীক্ষা শিক্ষার্থীদের মেধা ও প্রতিভা বিকাশের পাশাপাশি পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ বাড়াতে এবং সুস্থ প্রতিযোগিতার মানসিকতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। নিয়মিত এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত রাখার প্রত্যাশাও জানান তারা। পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরাও নিজেদের মেধা যাচাই ও বৃত্তি অর্জনের সুযোগ পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে। আয়োজকেরা জানান, শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চায় উৎসাহিত করা এবং তাদের মধ্যে সুস্থ প্রতিযোগিতার পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যেই প্রতিবছর এ মেধাবৃত্তি পরীক্ষার আয়োজন করা হয়।

 

 

Related Articles

Leave a Reply

Back to top button